Header ad

রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পেলেন পপগুরু আজম খান

বাংলাদেশের সঙ্গীতজগতের একটি বড় অংশ তাকে ‘গুরু’ বলে সম্বোধন করে। তাঁর গান একাত্তর পরবর্তী বাংলাদেশের নানা চিত্রপটকে আমাদের চোখের সামনে তুলে ধরে। তিনি আর কেউ নন বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং বাংলাদেশের পপ সম্রাট আজম খান।

২০১১ সালের ৫ জুন ৬১ বছর বয়সে চির বিদায় নিয়ে চলে যান তিনি। মৃত্যুর প্রায় আট বছর পর পপগুরুকে দেয়া হলো রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সম্মাননা একুশে পদক।

এবার বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য দেশের ২১ জন বিশিষ্ট নাগরিককে একুশে পদক ২০১৯ দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানায় সরকার। বুধবার বিকেলে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশ করা হয় একুশে পদকপ্রাপ্তদের তালিকা। সেখানে জানানো হয় আজম খানকে শিল্পকলা- সঙ্গীতে মরণোত্তর এ পদক দেয়ার কথা।

২০ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপস্থিত হয়ে এ পদক তুলে দেবেন। পদকপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের হাতে পুরস্কার হিসেবে একটি সোনার পদক, সনদপত্র ও দুই লাখ টাকার চেক তুলে দেয়া হবে।

২৮ ই ফেব্রুয়ারি, ১৯৫০ সালে ঢাকার আজিমপুরের ১০ নং কলোনিতে জন্ম মাহবুবুল হক ‘আজম’ খানের। তিনি একাধারে গীতিকার, সুরকার ও গায়ক ছিলেন তিনি ৷ সঙ্গীত জগতের তার অনবদ্য সৃষ্টি আজো তার ভক্তরা স্মরণ করেন।

About The Author

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *