Header ad

কানের ব্যথায় কী করবেন

কানে ব্যথা হলে যে কী মারাত্মক কষ্ট হয়, যার হয়েছে একমাত্র সে-ই বোঝে। বিভিন্ন কারণে কানে ব্যথা হতে পারে। কানে পানি ঢুকলে, ঠান্ডা লাগলে, কানের ভিতরে কোনও রকম সংক্রমণ হলে, এমনকি পাহাড়ে বা বহুতলে ওঠার সময় উচ্চতার তারতম্যের ফলে কানে ব্যথা হতে পারে। এ ছাড়া, মাড়িতে সংক্রমণের ফলে অনেক সময় মাড়ির সঙ্গে সঙ্গে কানেও যন্ত্রণা হয়।

জার্মানির নাক, কান, গলা বিশেষজ্ঞ ডা. মিশায়েল বনডর্ফের পরামর্শ হলো, গাড়ি, বাস বা ট্রেনে যাতায়াতের সময় অবশ্যই মাথা এবং কান ঢেকে রাখবেন, বন্ধ করে দেবেন জানালা। কারণ জানালা খোলা থাকলে ঠান্ডা বাতাস এবং ধুলোবালি কানে লাগে এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তা থেকেই কান ব্যথা বা কানে সংক্রমণ হয়।

কানে অসহ্য যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে জেনে নিন কয়েকটি ঘরোয়া উপায় –

১. কাপড়ের পুটলিতে ১ কাপের মতো সৈন্ধব লবণ বা রক সল্ট ভরে নিন। এরপর একটি পাত্র আঁচে রেখে গরম করে তার মধ্যে সৈন্ধব লবণের পুটুলিটি রেখে সামান্য গরম করে নিন। পুটলিটি সামান্য গরম হয়ে উঠলে সেটি দিয়ে কানে সেঁক দিন। এই ভাবে মিনিট পনেরো কানে সেঁক দিতে পারলে ব্যথা অনেকটাই কমে যাবে।

২. রসুন প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়টিকের কাজ করে। ব্যথা-বেদনা কমাতেও রসুনের জুড়ি মেলা ভার। কানের ব্যথা কমাতে প্রতিদিন এক কোয়া করে রসুন খেতে পারেন। উপকার পাবেন। যন্ত্রণা মারাত্মক পর্যায়ে গেলে সে ক্ষেত্রে দু’-এক ফোটা রসুনের রস কানের ভিতরে দিন। ফল পাবেন হাতে নাতে।

৩. দু’-এক ফোটা সরষের তেল কানে দিতে পারলে যন্ত্রণায় কিছুটা আরাম পাওয়া যায়।

৪. রসুনের মতোই পেঁয়াজের রস দু’-এক ফোটা কানের ভিতরে দিতে পারলে যন্ত্রণা সাময়িক ভাবে অনেকটাই কমে যাবে। দিতে পারেন পেঁয়াজের সেঁকও। একটি বা দু’টি পেঁয়াজ ছোটছোট করে কেটে গরম করুন এবং গরম পেঁয়াজের টুকরোগুলো একটি পরিষ্কার কাপড়ে ঢেলে পুটলি করে নিন। লক্ষ্য রাখবেন পেঁয়াজ যেন অতিরিক্ত গরম না হয়। পুটলিটাকে যেখানে ব্যথা বা ফোলা সেখানে ধরে রাখুন।

তবে এসব ব্যথানাশক উপায়গুলি আধুনিক চিকিৎসা শাস্ত্রে পরীক্ষিত নয়। দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত ঘরোয়া টোটকা মাত্র, যা আপনার যন্ত্রণা সাময়িক ভাবে কমাতে পারে। তবে কানের ব্যথা ঠিক কেন হচ্ছে তা জানার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। পরামর্শ অনুযায়ী, ইয়ার ড্রপ ব্যবহার করলে বা পেইন কিলার ওষুধ খেলে কানের ব্যথা কমে যাবে।

About The Author

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *