Header ad

মিলা-নওশীন বিরোধ তুঙ্গে

মিলার সংগীতজীবন ভালো কাটলেও ব্যক্তিগত জীবনে সংকট কাটছে না। বৈমানিক পারভেজ সানজারির সঙ্গে তাঁর বিবাহবিচ্ছেদ হলেও সাবেক স্বামীর সঙ্গে জড়িয়েছে আরেক অভিনেত্রীর নাম। অভিযোগ স্বয়ং মিলার। ‘স্বামী ছিনতাইয়ের’ মতো উক্তিও এসেছে তাঁর মুখ থেকে। তবে মিলার অভিযোগ নাকচ করেছেন ওই অভিনেত্রী।

পপ গায়িকা মিলার দাবি, পারভেজ সানজারির সঙ্গে অভিনেত্রী নওশীনের ‘ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক’ ছিল।

গতকাল বুধবার বিকেলে ঢাকার বেইলি রোডের একটি রেস্তোরাঁয় সংবাদকর্মীদের কাছে সাবেক স্বামী ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরেন মিলা। ওই সময় সাবেক স্বামীর সঙ্গে অভিনেত্রী নওশীনের সম্পর্কের কথা জানান তিনি।

মিলা জানান, তখনো বিচ্ছেদ হয়নি, অথচ পারভেজের সঙ্গে নওশীনের নিয়মিত যোগাযোগ হতো। এমনকি পারভেজের সঙ্গে নওশীনের ঘনিষ্ঠ ছবিও হাতে এসেছিল মিলার।

মিলা বলেন, ‘স্বামীর সঙ্গে নওশীনের ঘনিষ্ঠ ছবি দেখে আমি হিল্লোলকে (নওশীনের স্বামী) জানিয়েছি। কিন্তু কোনো লাভ হয়নি। সাইবার ক্রাইমে উল্টো আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন তাঁরা।’

গত বছরের জুনে রীতিমতো সংবাদ সম্মেলন ডেকে নওশীনের সঙ্গে মোবাইল ফোনে নিজের বিবাদের একটি রেকর্ড শোনান মিলা। সেই রেকর্ডে শোনা যায়, পারভেজ সানজারির সঙ্গে পরিচয় থাকার কথা স্বীকার করেছেন নওশীন। এ ছাড়া পারভেজের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় তোলা ছবি নিয়ে নওশীনকে প্রশ্নবিদ্ধ করেন মিলা।

গতকাল মিলা আরো জানান, নওশীনের সঙ্গে তাঁর সাবেক স্বামীর সম্পর্কের কারণেই সংসারজীবনে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছিল। তাঁর অভিযোগ, নওশীনের কারণেই ছিনতাই হয়েছে স্বামী।

এ ছাড়া পারভেজ সানজারি ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ‘বিচার’ চেয়েছেন মিলা।

এদিকে, মিলার সব অভিযোগই সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন অভিনেত্রী নওশীন। এনটিভি অনলাইনকে তিনি বলেছেন, ‘তাঁর (মিলা) অভিযোগ ভিত্তিহীন। আমি এর নিন্দা জানাচ্ছি। আমাকে ভুল বুঝেছেন মিলা। সংবাদ সম্মেলনে যে কণ্ঠ আমার বলে শোনানো হয়েছিল, সেটি আমার নয়। ওটা ফেইক (ভুয়া)।’

নওশীন আরো বলেন, ‘মিলার সংসার ভাঙতে হলে তো আগে আমার সংসার ভাঙতে হবে। আমি ও হিল্লোল সুখে আছি। মিলার নামে সাইবার ক্রাইমেও আমি কোনো কিছু করিনি। আমি মিলার ভালো চাই। মিলার ব্যক্তিগত বিষয়ে আমাকে না জড়ানোর অনুরোধ করছি।’

About The Author

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *