Header ad

রোজায় ফ্যাটিলিভার ও গ্যাসট্রিক রোগীদের ডায়েট

চলছে সিয়াম সাধনার মাস পবিত্র রমজান। এসময় সঠিক খাদ্যাভ্যাস পালন করা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে যারা শারীরিকভাবে অসুস্থ তাদের রোজার সময় একটু বেশি সতর্ক থাকা উচিৎ।

জেনে নিন ফ্যাটিলিভারে আক্রান্তদের রোজার ডায়েট কেমন হবে:

– রোজার পর ইফতারে তেলেভাজা কোন খাবার খাবেন না।
– দুধ খেলে ফ্যাট ফ্রি দুধ খেতে হবে।
– বিরিয়ানি, তেহারি, ফ্রাইড চিকেন এগুলোও বাদ দিতে হবে।
– মাছ বা মুরগির মাংস যেন প্রতিদিন প্রায় ১৫০-১৮০ গ্রামের মতো বরাদ্দ থাকে। গরু, খাসির মাংস, ভেড়ার মাংস ইত্যাদি খাওয়া যাবে না।
– ফল বা ফলের রস, সবজি, ভাত, ওটস, চিড়া ,খই, ছোলা, সুপ, সবজি খিচুড়ি (কম তেলে রান্না), চিকেন স্যান্ডউইচ (মেয়নেজ ছাড়া), মোমো, ভাপে তৈরি পিঠা, চিতই পিঠা, প্যানকেক ইত্যাদি খেতে পারবেন।

গ্যাসট্রিকের সমস্যা আছে যাদের:

– যাদের গ্যাসট্রিকের সমস্যা আছে তাদের শুধু পানি বা খেজুর দিয়ে রোজা ভাঙা উচিত। ট্যাং বা লেবুর শরবত না খাওয়াই ভাল।
– রোজা ভাঙার পর তেলেভাজা পেঁয়াজু-বেগুনি না খেয়ে চিড়া-দই-কলা খেলে পেট ঠাণ্ডা থাকবে এবং গ্যাসের সমস্যা হবে না। কারো যদি চিড়া-দই ভাল না লাগে, তিনি নরম ভাত বা জাউ ভাত খেয়ে নিতে পারেন ইফতারে।

– সন্ধ্যা রাতে নরমাল যে খাবার আপনি খান, তাই খেতে পারেন। তবে শাক এবং ডালটা রাতে না খাওয়াই ভাল। খাবারে তেল, মসলা, ঝাল কম হলে তা উপকারী হবে।
– এছাড়া ইস্ট, বেকিং পাউডার, বেকিং সোডা দেয়া খাবার এড়িয়ে চলতে হবে।

তবে মনে রাখতে হবে একেক জন মানুষের একেক খাবারে পেটে অস্বস্তি বা গ্যাসের সৃষ্টি হয়। যার যে খাবারে সমস্যা হয় তাদের ওই সমস্ত খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। একবারে বেশি খাবার না খেয়ে অল্প অল্প করে খাবারগুলো ভাগ করে খেতে হবে।

About The Author

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *