Header ad

শখের গাড়িতে দাগ, রয়েছে সমাধান

শখের গাড়িতে অনেকসময়েই লাগে অনাকাঙ্ক্ষিত দাগ, এই দাগে গাড়ির মালিকের যে মন খারাপ হয় তা বলা বাহুল্য। গাড়িতে দাগ লাগলে কীভাবে মুক্তি পাওয়া যাবে তা নিয়ে আজকের আয়োজন।

গাড়িতে যদি পারমানেন্ট মার্কারের দাগ লাগে, তাহলে তা তোলার জন্য প্রথমে বডি স্প্রে ব্যবহার করা যেতে পারে। গাড়ির যে স্থানে দাগ পড়েছে, সেখানে বডি স্প্রে খানিকটা ব্যবহার করে পরিষ্কার কাপড় দিয়ে আলতো করে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ঘষে নিতে হবে। এতে দাগ হালকা হয়ে যাবে। তাছাড়া কেরোসিন তেল দিয়ে একই উপায়ে দাগ তোলা যাবে।

অ্যাক্রেলিক রঙ যদি কোনোভাবে গাড়ির উপরের কোনো অংশে লাগে, তাহলে ঈষদুষ্ণ পানির সঙ্গে গুঁড়ো সাবান মিশিয়ে স্পঞ্জের মাধ্যমে ঘষে ঘষে পরিষ্কার করে নিতে হবে। তবে কোনোভাবেই স্ক্র্যাবার ব্যবহার করা যাবে না। এতে করে স্ক্র্যাচ পড়ে যেতে পারে। সবচেয়ে ভালো হয় ‘কার ওয়াশিং সলিউশন’ ব্যবহার করতে পারলে।

অনেকেরই জানা নেই গাড়িতে রঙের দাগ যদি শুকিয়ে যায়, তাহলে নেইল পলিশ রিমুভার বেশ ভালো কাজ দেয় সে রঙ তুলতে। নরম সুতি কাপড়ে সামান্য নেইল পালিশ রিমুভার নিয়ে লেগে যাওয়া রঙের ওপর ঘষে নিন। এরপর গাড়ি ভালোমতো ধুয়ে নিন।

যেসব দোকানে গাড়ির বিভিন্ন সরঞ্জাম ও পরিষ্কারক উপকরণ পাওয়া যায়, সেসব স্থানে ওয়াক্সিং ও রঙ তোলার সলিউশন আছে কিনা দেখে নিন। যদি থাকে তাহলে সেগুলোই হবে গাড়ির দাগ পরিষ্কারের জন্য সবচেয়ে ভালো।

অনেকে গাড়ির ওপর লেগে যাওয়া দাগ তুলতে পেট্রল ব্যবহার করেন। তবে এতে করে গাড়ির চাকচিক্য নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

গাড়ির ওপর যদি মরিচার দাগ পড়ে, তাহলে ভিনেগার খুব ভালো কাজে দেয়। যে স্থানে মরিচার দাগ পড়েছে, সেখানে অল্প একটু সাদা ভিনেগার স্প্রে করে রাখুন কিছুক্ষণ। এর পর ভেজা কাপড় দিয়ে ভালোভাবে মুছে ফেলুন।

গাড়িতে যদি স্প্রে রঙ লাগে, তাহলে তোলা খানিকটা মুশকিলই বলা চলে। তাই এ ধরনের রঙ ওঠানোর জন্য প্রাথমিকভাবে কোনো মেকানিক্যাল গ্যারেজে নিয়ে পলিশ করে নিলে সবচেয়ে ভালো হয়। যদি পুরোপুরি ওঠানো না যায়, তাহলে সম্পূর্ণ রঙ তুলে নতুন করে আবার রঙ করিয়ে নিতে হবে। সেক্ষেত্রে রঙ করাতে খরচ হবে গাড়ির আকার ও রঙের ধরনের ওপর নির্ভর করে, আর সময় লাগবে প্রায় এক সপ্তাহ।

About The Author

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *