Header ad

বর্ষার আমেজে হয়ে যাক ‘নবাবী খিচুড়ি’

বর্ষা ও বৃষ্টি মানেই খাবার মেনুতে থাকা চাই খিচুড়ি। এমনেতেই বাঙালিদের সিজনাল খাবারের অভাব নেই। সব সিজন বা উৎসব পার্বণে থাকে নানা ধরনের খাবারের তালিকা। তেমনে বর্ষার তালিকায় থাকে খিচুড়ি। কিন্তু খিচুড়ির তো কতো রকম সকম আছে। একটা খেলেই হলো, তাই কী? না তাই বলে এমনটা না যে সাধারণ ভুনা, পাতলা বা সবজি খিছুড়ি রান্না করবেন। খিচুড়ি খেতে চাইলে একটু নবাবদের কায়দায় রান্না করুন ‘নবানী খিচুড়ি’ আরো মজাদার করতে আসুন দেখে নেই নবাবী খিচুড়ির রেসিপি।

উপকরণ:

মুগ ডাল ১/২ কাপ,

শাহী জিরা ১/৪ চা চামচ,

পেঁয়াজ বাটা ১/৪ কাপ,

আদা বাটা ১ টেবিল চামচ,

গরম দুধ আড়াই কাপ, (এটা পানির বদলে ব্যবহার করা হবে। আপনি চাইলে পানির সাথে দুধ অথবা নারিকেলের দুধ মিলিয়ে নিতে পারেন। তবে দুধ যেহুতু পানির চাইতে ঘন, তাই শুধু দুধ দিলে প্রথমে পরিমানে কম দিবেন। প্রয়োজন হলে পরে আবার দিবেন।

কাঁচা বাদাম ২ টেবিল চামচ,

রসুন বাটা ১ চা চামচ,

হিং ১/২ চা চামচ,

কিসমিস ১/৪ কাপ,

কাঁচামরিচ বাটা ৪/৫টা,

চাল ৫০০ গ্রাম, (বাসমতী)

লবণ পরিমাণ মতো,

গরম মসলা ৮/৯টি,

শুকনা মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ,

তেল বা ঘি কোয়ার্টার কাপ।

কাজু বাদাম ৮-১০টা

প্রণালি: মুগ ডাল ও চাল একসাথে পরিষ্কার করে ধুয়ে ১/২ ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। তারপর পানি ঝড়িয়ে নিন।

চুলায় পাত্র দিন গরম হলে তেল দিয়ে গরম মসলা ও আদা, রসুন বাটা, পেঁয়াজ, মরিচ গুঁড়া, কাঁচামরিচ ও জিরা গুঁড়া দিয়ে ভালো করে কষিয়ে নিন।

এবার চাল ও ডাল মিশিয়ে দিন। চাল, মসলাসহ ৪-৫ মিনিট ভেজে নিয়ে গরম পানি/দুধ/নারিকেলের দুধ মেশান। সেদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন। পানি শুকিয়ে এলে দমে বসিয়ে রাখুন।

চুলা থেকে হাঁড়ি নামানোর আগে উপরে ঘি, কোড়ানো নারিকেল, পেঁয়াজ বেরেস্তা ছিটিয়ে দিয়ে নামান।

তারপর গরম গরম পরিবেশন করুন। সাথে ঝাল মুরগীর মাংস, কালা ভুনা অথবা ডিম কারি রাখতে পারেন।

About The Author

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *