Header ad

এক চামচ ঘি খান

ভিটামিন, ফ্যাটি এসিড ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ঠাসা ঘি আপনার রুক্ষ চুলের জন্য দারুণ সহায়ক। ঘি খাওয়া ভালো, কিন্তু এটি মুখে ও চুলে মাখানো আরো বেশি ভালো।

ঘি প্রত্যেকের রান্নাঘরের নিত্যপ্রয়োজনীয় বস্তু। রান্নার উপকরণ হিসেবে এটি দীর্ঘদিন ব্যবহৃত হয়ে আসছে। খাবার হিসেবে ঘিয়ের উপকারিতার কথা প্রায় সবারই জানা। কিন্তু এটি ত্বক ও চুলের যত্ন নিতেও ভীষণ কার্যকর। হিন্দুস্তান টাইমসের সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলুন জেনে নেওয়া যাক আপনার ত্বক ও চুলের জন্য কী করতে পারে ঘি।

ত্বকের পুষ্টি জোগাতে ঘি

ঘির অন্যান্য প্রয়োজনীয় উপাদানের সঙ্গে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘এ’ ও ‘ই’। এর পাশাপাশি ফ্যাটি এসিড থাকায় ঘি ত্বকের পুষ্টি জোগাতে দারুণ কার্যকর। আপনার ত্বক যদি শুষ্ক হয়, তবে ঘি আপনার জন্য সহায়ক হতে পারে। এটি ত্বক মসৃণ করে।

ময়েশ্চারাইজার হিসেবে ঘির ব্যবহার

রাতে পরিষ্কার হওয়ার পর তিন-চার মিনিট মুখ ও ত্বকের উপরিভাগ ও নিম্নভাগে ঘি প্রয়োগ করুন। ঘুমাতে যাওয়ার আগে নরম তুলোর মাধ্যমে তা ধীরে ধীরে মুছে ফেলুন। এটি আপনার ত্বককে নরম ও কমনীয় করে তুলবে।

ঠোঁটেও ব্যবহার করতে পারেন ঘি। রাতে এক ফোঁটা ঘি ঠোঁটে দিন, রাতভর রাখুন। এটি আপনার ঠোঁটের ত্বককে ভালো রাখবে।

চোখের ক্রিম হিসেবে ঘি

রান্নাঘরে ঘি থাকতে এখন আর আপনার চোখের জন্য দামি ক্রিম কেনার প্রয়োজন নেই। পরিষ্কার হওয়ার পর চোখের নিচের ত্বকে এক ফোঁটা ঘি লাগান। ১৫ মিনিট পরে তুলো দিয়ে তা তুলে ফেলুন। এটি আপনার চোখের বলিরেখা ও কালো দাগ তুলে ফেলবে।

ঘি থাকতে রুক্ষ চুল আর নয়

ঘি আপনার রুক্ষ ও ক্ষতিগ্রস্ত চুলের জন্যও উপকারী। বিশেষ করে যাদের চুলে রাসায়নিক চিকিৎসা করা হয়েছে, তাদের জন্য এটি দারুণ কার্যকর। রুক্ষ চুলের বাড়তি পুষ্টির প্রয়োজন হয়। ঘিতে থাকা ফ্যাটি এসিড চুলের সেই প্রয়োজনীয়তা পূরণ করে।

About The Author

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *