Header ad

চর্বি কমায় পেঁপে

চর্বি কমায় পেঁপে

পেঁপে একটি সর্বজনীন ফল। প্রায় সব ঋতুতেই পেঁপে পাওয়া যায়। আমাদের দেশে সারা বছর এই ফল পাওয়া যায়। কাঁচা ও পাকা উভয় পেঁপেই শরীরের জন্য উপকারী।
কাঁচা পেঁপেতে আছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিওলাইটিক এনজাইম। এই উপাদানটি প্রোটিন হজমের জন্য সাহায্য করে। তাই প্রচুর পরিমাণে গরু, খাসি বা মুরগির মাংসের সঙ্গে কাঁচা পেঁপে বা রান্না করা পেঁপে খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর হয়।
যাদের খুব বেশী এসিডিটি হয়, তাদের জন্য এই ফল ভীষণ উপকারী। পেঁপে ফল ( পাকা) ও সবজী (কাঁচা) এই দুই ভাবেই খাওয়া যায়।
পেঁপের এনজাইম-এর জন্য মাংসের আমিষ ভালোভাবে রক্তের সঙ্গে মেশে এবং মাংসের চর্বির ক্ষতিকর দিকটা কমিয়ে দেয়। এনজাইম খাবার হজমকারী রক্তের এক ধরনের উপাদান। মাংসে কাঁচা পেঁপে দিলে তা সেদ্ধ হয় দ্রুত।
কাঁচা পেঁপে, শসা, গাজর, লেটুস বা ধনেপাতার সালাদ ওজন কমাতে রাখে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। পেঁপে যুদ্ধ করে দেহের বাড়তি মেদের বিরুদ্ধে।
কাঁচা পেঁপের প্রোটিওলাইটিক এনজাইম ক্যানসার নিরাময়ে রাখে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। আর এই উপকারের জন্য কাঁচা পেঁপে রান্নার পরিবর্তে কাঁচা খাওয়াটাই উত্তম।
প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘এ’ ও ‘সি’র বসতি পাকা পেঁপেতে। ভিটামিন ‘এ’, ও ‘সি’ শরীরের রোগপ্রতিরোধ-ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, যুদ্ধ করে ছোঁয়াচে রোগের বিরুদ্ধে, দাঁত, চুল, ত্বকের জন্য বয়ে আনে সুফল।
অ্যান্টি-এজিং ফ্যাক্টর অর্থাৎ বৃদ্ধ বয়সকে দূরে ঠেলে দেওয়ার উপাদান রয়েছে পেঁপেতে। তাই ত্বকের ওপরেও কাজ করে এই ফল। এতে কোনও খারাপ কোলেস্টেরল, চর্বি বা ফ্যাট নেই। মোটা মানুষেরা দুশ্চিন্তামুক্ত হয়ে খেতে পারেন। তবে ডায়াবেটিক রোগীরা মিষ্টি পেঁপে পরিহার করুন।
অনেকেই পেঁপের আচার খেতে পছন্দ করেন। এই ফল আচার এর পরিবর্তে কাঁচা খাওয়াটা বেশী উপকারী। তবে হজমের আশায় খুব বেশী না খেয়ে পরিমিত খাওয়ায় উত্তম।
ছোটদেরকেও পেঁপে খাওয়ার জন্য উৎসাহিত করতে হবে। পেঁপে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। তাই ডায়রিয়া চলাকালীন পেঁপে না খাওয়াই ভালো।

About The Author

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *