Header ad

মৌসুমীর অভিযোগের জবাব দিলেন মিশা সওদাগর

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন আগামী ২৫ অক্টোবর। নির্বাচনকে সামনে রেখে চলছে প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা। নির্বাচনের প্রস্তুতির বিষয়ে সভাপতি প্রার্থী খল অভিনেতা মিশা সওদাগর জানান, তাদের প্যানেলের নির্বাচনী প্রস্তুতি এরই মধ্যে প্রায় নব্বই ভাগ সম্পন্ন করেছেন।

এদিকে শিল্পী সমিতির নির্বাচনকে ঘিরে সরগরম এফডিসি প্রাঙ্গণ। এফডিসিতে নির্বাচনেই সময়েই একসঙ্গে অনেক শিল্পীদের দেখা মেলে।

এবারের নির্বাচনে সভাপতি পদে মিশা সওদাগরের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী চিত্রনায়িকা মৌসুমী। চলচ্চিত্রাঙ্গনে যারা খোঁজ-খবর রাখেন তাদের অনেকেরই জানা- মৌসুমীর সঙ্গে মিশা সওদাগরের দীর্ঘ দিনের বন্ধুত্ব। তবে সেই পরিচয়কে ছাপিয়ে এবার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী তারা।

এ ব্যাপারে মিশা সওদাগর বলেন, এটা কিন্তু প্রতিদ্বন্দ্বিতা নয়। এখানে চার-পাঁচশো মেম্বার আছে তাদের কাছে আমি বা মৌসুমী একই সমান। মৌসুমী গুণী অভিনেত্রী, অনেক উচ্চমার্গীয় মনের মানুষ এছাড়াও সে অনেক গুণে গুণান্বিত। উনি শিল্পী সমিতির সেবা করতে চান। এটা শিল্পীদের জন্য ভালো খবর।

বর্তমান কমিটি শিল্পী সমিতিকে এমন একটা অবস্থানে নিয়ে গেছে যা দেখে এখন অনেকেই নেতৃত্ব দেয়ার আগ্রহ প্রকাশ করছেন। আমরা যে মানবিক কাজের পরিচয় বহন করে রেখেছি, সে কাজের সাক্ষী তারাও হতে চায়। আমি বরাবরই বলে আসছি- ভোটাররা যদি আমাকে নির্বাচিত করেন আমি ফুলের মালা পরবো, আর যদি মৌসুমী জয়ী হয় তাকে আমি ফুলের মালা পরিয়ে দেবো। এখানে হার-জিত ব্যাপার না। নির্বাচন করার উদ্দেশ্য শিল্পীদের সেবা করা।

এ অভিনেতা আরও বলেন, শিল্পী সমিতি একটি অরাজনৈতিক, অলাভজনক প্রতিষ্ঠান, এখানে সময় দিতে হবে, শিল্পীদের সেবা করতে হবে। মৌসুমী যদি নির্বাচিত হয়ে আসে তাকে স্বাগতম জানাবো। সে ব্যস্ত মানুষ, যদি সমিতির পেছনে সময় দিতে পারে ভালোই হবে। আর শিল্পীরা যদি মনে করেন উনার সেবা নেবে সে রাস্তাও খোলা। কিন্তু আমরা চাই শান্তিপূর্ণ নির্বাচন। প্রত্যাশা একটাই- যারাই কমিটিতে আসুক তারা যেন চলচ্চিত্রের স্বার্থে কাজ করেন।

About The Author

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *