Header ad

​শমী কায়সারের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পায়নি পুলিশ!

সাংবাদিকদের চোর অভিহিত করে গালিগালাজ করার অভিযোগে অভিনেত্রী শমী কায়সারের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলা করেছিলেন অনলাইন নিউজ পোর্টাল স্টুডেন্টজার্নালবিডির সম্পাদক মিঞা মো. নুজহাতুল হাসান। পরে মামলাটি রমনা থানা পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দেন আদালত।

গত ৩০ এপ্রিল ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম আসাদুজ্জামান নূর মামলাটি আমলে গ্রহণ করে রমনা থানার ওসিকে অভিযোগের বিষয় তদন্ত করে আগামী ১৬ জুন প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

এদিকে, আজ বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) ঢাকা মহানগর হাকিম জিয়াউর রহমানের আদালতে এই প্রতিবেদন দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শাহবাগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহবুবুর রহমান। প্রতিবদনে তিনি উল্লেখ্য করেন, শমী কায়সারের বক্তব্যে কোনো মানহানিকর ঘটনা ঘটেনি। মামলার বাদী এ বিষয়ে সাক্ষ্য-প্রমাণ হাজির করতে পারেনি।

মামলার বাদী প্রতিবেদনের ওপর নারাজি দেবেন বলে আদালতে সময় প্রার্থনা করলে বিচারক আগামী ২৫ নভেম্বর নারাজি দেয়ার জন্য দিন ধার্য করেন।

প্রসঙ্গত, গতকাল বুধবার (২৪ এপ্রিল) জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে প্রায় অর্ধশত ফটো ও ভিডিও ক্যামেরা এবং শতাধিক মানুষের সামনে চুরি হয় শমী কায়সারের দুটি স্মার্টফোন। এ সময় তিনি ‘সাংবাদিকরা মোবাইল চুরি করেছে’ বলে বারবার অভিযোগ করেন এবং তার নিরাপত্তাকর্মীদের দিয়ে সংবাদকর্মীদের দেহ তল্লাশি করান।

এমন বিব্রতকর পরিস্থিতিতে কোনও কোনও সাংবাদিক বের হয়ে যেতে চাইলে তাদের আটকে রেখে ‘চোর’ বলে গালিগালাজ করতে থাকেন শমী কায়সারের নিরাপত্তাকর্মীরা। এতে বিক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন সংবাদকর্মীরা। ক্ষোভ প্রকাশ করেন অনুষ্ঠানস্থলেই।

পরে সাংবাদিকদের ক্যামেরায় ধারণকৃত ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, অনুষ্ঠানে কেক নিয়ে আসা লাইটিংয়ের এক কর্মী স্মার্টফোন দুটি নিয়ে গেছেন। ক্যামেরায় ধারণকৃত ভিডিও ফুটেজ দেখার পর সাংবাদিকদের প্রতি ‘দুঃখ প্রকাশ’ করেন শমী কায়সার।

About The Author

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *