Header ad

চলতি বছরে না-ফেরার দেশে চলে গেছেন যারা

চলতি বছরে নিয়তির এক অমোঘ নিয়ম মেনে না-ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন বাংলার শিল্প ও সংস্কৃতির উন্নয়নে ভূমিকা রাখা অনেক বর্ষীয়ান তারকা। তাদের শূন্যতা কখনো পূরণ হওয়ার নয়।

বছর শেষে বিষাদ মনে আরেকবার স্মরণ করি ২০১৯ সালে আমরা যাদের হারিয়েছি-

আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল : মুক্তিযোদ্ধা, প্রখ্যাত গীতিকার, সুরকার ও সংগীত পরিচালক আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল। গত ২২ জানুয়ারি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ১৯৭০ দশকের শেষ লগ্ন থেকে আমৃত্যু বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পসহ সংগীতশিল্পে সক্রিয় ছিলেন এই তারকা।

শাহনাজ রহমতউল্লাহ : কিংবদন্তী সংগীতশিল্পী শাহনাজ রহমতউল্লাহ। গত ২৩ মার্চ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে নিজ বাসায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার দীর্ঘ পঞ্চাশ বছরের সংগীতজীবনে তিনি একুশে পদক, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি পুরস্কার, বাচসাস পুরস্কারসহ বহু সম্মানায় ভূষিত হয়েছেন।

টেলি সামাদ : বরেণ্য কৌতুক অভিনেতা টেলি সামাদ। গত ৬ এপ্রিল স্কয়ার হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। সত্তর ও আশির দশকের শক্তিমান এ অভিনেতার প্রকৃত নাম আবদুস সামাদ। শুধু অভিনয় নয়, গান ও ছবি আঁকাতেও ছিল তার সমান পারদর্শিতা।

মাহফুজুর রহমান : দশবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত চিত্রগ্রাহক মাহফুজুর রহমান খান। গত ৬ ডিসেম্বর রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

কালিদাস কর্মকার : বাংলাদেশের একজন প্রথিতযশা চিত্রশিল্পী কালিদাস কর্মকার। গত ১৮ অক্টোবর ইস্কাটনের বাসায় অচেতন অবস্থায় তাকে পাওয়া যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা ল্যাবএইড হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

সালেহ আহমেদ : টেলিভিশন ও চলচ্চিত্রের বর্ষীয়ান অভিনেতা সালেহ আহমেদ। গত ২৪ এপ্রিল রাজধানীর অ্যাপোলো হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা অসুখে ভুগছিলেন এই অভিনেতা। তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।

আনিস : স্বনামধন্য কৌতুক অভিনেতা আনিসুর রহমান আনিস। গত ২৯ এপ্রিল রাজধানীর টিকাটুলীর অভয় দাস লেনের বাসায় তিনি ইন্তেকাল করেন।

সুবীর নন্দী : বর্ণাঢ্য সংগীত ক্যারিয়ারে অসংখ্য গানে কণ্ঠ দিয়েছেন সুবীর নন্দী। গত ৭ মে মারা যান দেশবরেণ্য এই শিল্পী। ৬৬ বছর বয়সী সুবীর নন্দী দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিস রোগে ভুগছিলেন।

মমতাজউদ্দীন আহমেদ : প্রখ্যাত নাট্যকার, অভিনেতা ও ভাষাসৈনিক মমতাজ উদ্দীন আহমদ। নাটকে বিশেষ অবদানের জন্য তিনি ১৯৭৬ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ও ১৯৯৭ সালে একুশে পদক লাভ করেন। চলতি বছরের ২ জুন না ফেরার দেশে চলে যান তিনি।

বাবর : চলচ্চিত্র অভিনেতা, প্রযোজক ও পরিচালক বাবর মারা যান ৬ আগস্ট। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৬৭ বছর।

হুমায়ূন সাধু : তরুণ নাট নির্মাতা ও অভিনেতা হুমায়ূন সাধু। মস্তিস্কে রক্তক্ষরণজনিত কারণে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৫ অক্টোবর তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন৷

পৃথ্বী রাজ : তরুণ শিল্পী, সুরকার, সংগীত পরিচালক পৃথ্বী রাজ। গত ১৫ ডিসেম্বর নিজের স্টুডিও জিলাপিতে কাজ করার সময় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান।

About The Author

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *