Header ad

দ্রুত ওজন কমাতে সাহায্য করে ফল

ওজন কম হোক আর বেশি হোক প্রত্যেকেরই উচিত খাবার ভালো করে চিবিয়ে খাওয়া। সেটা ফল হোক আর খাবার। মনোযোগ দিয়েই খাবার উপভোগ করা উচিত। স্বাভাবিকের চেয়ে অতিরিক্ত ওজনে শরীরে বাসা বাঁধতে পারে অনেক রোগ। তাই অতিরিক্ত ওজন থাকলে তা অবশ্যই কমিয়ে ফেলাই বুদ্ধিমানের কাজ।

সঠিক নিয়মে খাবার খেলে কিন্তু ওজন কমে। ওজন আরো অনেকভাবেই নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। ফল খেলেও কিন্তু ওজন কমে। বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন, খনিজ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে পূর্ণ থাকে ফল। যদি প্রতিদিন চারবার ফল খাওয়া যায় তাহলে অতিরিক্ত ক্যালোরি গ্রহণের মাত্রা কমে যায়।

পুষ্টি-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে জানানো হয়েছে ফল খেলে ওজন কমে।

দেখুন কী কী ফল খাওয়ার মাধ্যমে কমাতে পারবেন শরীরের বাড়তি ওজন।

কলা
উচ্চ মাত্রায় ক্যালরি ও শর্করাসহ আরো পুষ্টি উপাদানে ভরপুর কলা দেহের ওজন কম রাখতে সাহায্য করে।

পেয়ারা
উচ্চ ফাইবার যুক্ত এই ফল কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে যেমন কাজে আসে, তেমনই এর গ্লাইসেমিক রেট নিম্ন মানের হওয়ায় ওজন কমাতে খুবই কার্যকর। একটি মাঝারি মাপের পেয়ারায় থাকে ৩৭ ক্যালোরি। এই ফল থেকে একটুও কোলেস্টেরল নেই। তাই ওজন কমাতে এই ফলের ওপর আস্থা রাখেন পুষ্টিবিদরা।

তরমুজ
পানিসমৃদ্ধ ফল তরমুজে ক্যালরির পরিমাণও কম। এক কাপ অর্থাৎ ১৫০ থেকে ১৬০ গ্রাম তরমুজ থেকে মিলবে মাত্র ৪৬ থেকে ৬১ ক্যালরি।

কমলা
কমলা ভিটামিন ‘সি’ সমৃদ্ধ ও ক্যালরি কম। আর এটি অনেকক্ষণ পেটকে ভরপুর রাখে এবং ওজন কমে।

নাশপাতি
ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, নাশপাতিতে রয়েছে ফ্লাভানয়েড পলিমারস, যা ওজন নিয়ন্ত্রণ করে। প্রতি ১৩৮ মিলিগ্রাম বাড়তি ফ্লাভানয়েড পলিমারস ওজন কম হারে বাড়ায়।

আপেল
উচ্চ আঁশ ও ফ্লাভানয়েড পলিমারস সমৃদ্ধ, যা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে; যা রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে থাকলে তা ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে রেখে ডায়াবেটিস হওয়া থেকে রক্ষা করে।

ক্যাপসিকাম
প্রতিদিন ক্যাপসিকাম খাওয়া হলে তা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে। ক্যাপসাইসিন দেহের বাদামি ও জমাট চর্বিকে শক্তি হিসেবে পোড়াতে শ্বেত রক্তকণিকাকে অনুপ্রাণিত করে।

স্ট্রবেরি
মাত্র ১৫০ গ্রাম স্ট্রবেরি থেকে পাওয়া যায় ৫০ ক্যালোরি। এই ফল ওজন কমায়। শুধু তাই নয়, রক্তচাপ কমায় স্ট্রবেরি বেশ কার্যকর।

ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম মিড ডে’র বরাতে পুষ্টিবিদরা বলেছেন, যেকোনো খাবারই খাওয়ার সময় ফোন, টিভি এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক গ্যাজেট থেকে নিজেকে দূরে রাখতে হবে। ভালোভাবে চিবিয়ে খেলে খাবারের পরিপূর্ণ স্বাদ পাওয়া যায়। ধীরে ধীরে চিবিয়ে খেলে খাবারের মাঝখানে পানি খাওয়ার দরকার হবে না। খাবারের মাঝখানে পানি খেলে হজমে সমস্যা হয়।

About The Author

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *