Header ad

যে খাবারগুলো শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে

শরীরের সুস্থতা এবং রোগের আক্রমণে দ্রুত অসুস্থ হয়ে পড়া থেকে টিকে থাকতে প্রয়োজন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার রক্ষা কবচ। কিছু খাবার আছে যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে শরীরকে সবসময় সুস্থ রাখে।

এমন কিছু খাবারের তালিকা এখানে দেয়া হলো। দেখে নিন-

১. ভিটামিন ই ও ভিটামিন সি জাতীয় খাবার

ভিটামিন ই ও ভিটামিন সি জাতীয় খাবারে আছে শক্তিশালী অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, যা ইনফেকশন প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। তাই প্রতিদিনের খাবারে কমলা, লেবু, পেয়ারা, টমেটো, লেবু, নারকেল, পেয়ারা, কালোজামের মতো খাবার রাখুন। বিটা-ক্যারোটিন যা শরীরের বলিরেখা দূর করে এবং রক্ত পরিশোধন করে।

২. মিষ্টি আলু
গাজরের মতো মিষ্টি আলুতেও থাকে বিটা-ক্যারোটিন। মানুষের শরীরে ঢুকে এটি হয়ে যায় ভিটামিন এ। এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। এমনকি বুড়ো হয়ে যাওয়া ঠেকাতেও কাজ করে বিটা-ক্যারোটিন।

৩. চিকেন স্যুপ
বাসায় বানানো চিকেন স্যুপ মানুষের শরীরের জন্য খুব উপকারী। এতে থাকে কারনোসিন নামের একটি রাসায়নিক পদার্থ। এটি ভাইরাস জ্বরের সংক্রমণ থেকে শরীরকে বাঁচাতে ভূমিকা রাখে।

৪. রসুন
রসুন রান্না করা খাবারের স্বাদ বাড়িয়ে দেয়। কাঁচা রসুন ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ও ছত্রাকজনিত আক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। বিশেষ করে, ত্বকের সংক্রমণ নিরাময়ে ভালো কাজ করে রসুন। শরীরের কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমাতেও কাজ করে এটি।

৫. আদা
খাবারের ঝাঁজ ছাড়াও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টেরও ভালো উৎস আদা। ফলমূল বা সবজি থেকে পাওয়া অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীরে কাজও করে তাড়াতাড়ি।

৬. দুধ ও দই
জিঙ্ক সমৃদ্ধ খাবার যেমন দুধ ও দই রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে। দুধ হজম না হলে দুধের তৈরি খাবার খান। দিনে অন্তত ১০০ গ্রাম দই অথবা ১ কাপ দুধ খাবার চেষ্টা করুন।

৭. কাঠবাদাম
কাঠবাদামে রয়েছে ভিটামিন ‘ই’ যা খুবই শক্তিশালী একটি অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। এটি ঠাণ্ডার সমস্যা ও কাশি প্রতিরোধ করে। এর স্বাস্থ্যকর ফ্যাট শরীরে শক্তি প্রদান করে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বজায় রাখে।

৮. ক্যারোটিন সমৃদ্ধ খাবার
ক্যারোটিন সমৃদ্ধ খাবার রোগ প্রতিরোধে খুব সাহায্য করে। গাজর, টোমাটো, কুমড়া বেশি করে খান। সারাদিনে ১ কাপ গাজরের জুস খেতে পারলে দারুণ উপকার পাবেন। গাজরের জুস দুধের থেকে সহজপাচ্য ও পুষ্টিকর।

৯. মধু ও দারুচিনি
মধু ও দারচিনি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

১০. আমলকী
আমলকীর সাথে অল্প আদা ও খেজুর বেটে নিন। ভিটামিন সিতে ভরপুর আমলকীর এই চাটনি শরীরের জন্য দারুণ উপকারী।

১১. পানি
সারাদিনে প্রচুর পানি পান করুন। এছাড়া হারবাল চাও খেতে পারেন, কেননা তা শরীরকে নীরোগ রাখতে সহায়তা করে। সফট ড্রিঙ্ক কম খান।

১২. গ্রিন টি
তুলসি ও গ্রিন টি দেহের জন্য দারুণ উপকারী। এগুলো অর্গানিক, ডায়াবেটিসের জন্য উপকারী, হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী, ক্যালোরি অনেক কম এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে ভরপুর। গ্রিন টি খেলে দেহের রোগ প্রতিরোধীব্যবস্থা শক্তিশালী হয়।

About The Author

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *