Header ad

জীবনে ব্যর্থ হয়েছি অনেকবার বললেন আরেফিন শুভ

ঢাকাই সিনেমায় হিরো’র বড়ই অভাব। হাতেগোনা কয়েকজন হিরো নিয়ে চলছে ঢালিউড। তবে আশার কথা হচ্ছে তরুণদের মধ্যে অনেকেই প্রবেশ করেছেন রঙিন বড় পর্দায়। এ ক্ষেত্রে বলা যায় আরেফিন শুভর নাম। একসময় বিজ্ঞাপন ও টেলিভিশনের পর্দায় সীমাবদ্ধ ছিলেন শুভ।বর্তমানে তিনি ঢালিউডের অন্যতম একজন দর্শকনন্দিত নায়ক। বিশেষ করে নতুন সিনেমা ‘ঢাকা অ্যাটাক’ মুক্তির পর শুভর কদর আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। আর তাইতো কাজের সম্মাননা হিসেবে পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।

ময়মনসিংহের ছেলে শুভর মিডিয়াতে পথ চলাটা বেশ কঠিনই ছিলো। নানা প্রতিকূলতার পেরিয়ে আজ তিনি নায়ক। সম্প্রতি শুভ তার ক্যারিয়ায়ের শুরু থেকে বর্তমান অবস্থা নিয়ে দেশের একটি সংবাদপত্রকে লিখে দিয়েছেন। পাঠকদের জন্য তা হুবুহু তুলে ধরা হলো।

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার ডাকাতিয়া ইউনিয়নের আঙ্গারগাড়া গ্রাম। সেখানেই কেটেছে ধুলামাখা শৈশব। বাবা ছিলেন সরকারি চাকরিজীবী। তবে ফেলে আসা শৈশবের আঙ্গারগাড়া গ্রামেই যেন সবসময় মন পড়ে থাকে। মা গৃহিণী। পরে অবশ্য সরকারি চাকরিতে যোগদান করেছিলেন। দুই ভাইয়ের মধ্যে আমি ছোট। অনেক কড়া শাসনে বড় হয়েছি। অভাব-অনটনের মধ্যেই বেড়ে ওঠা।

নিম্ন-মধ্যবিত্তের জীবনযাপন অসহায় লাগত। একদিন হুট করে নতুন সিদ্ধান্ত নিলাম। ভাবলাম ঢাকায় গিয়ে মিডিয়ায় কাজ করব। তখন আমার বয়স ১৮ বছর। কিন্তু মা-বাবা চাইতেন না তাদের ছেলে মিডিয়ায় কাজ করুক। তাই পরিবার থেকে কিছুতেই সায় মিলল না। সংসারে ছোট ছিলাম বলে অনেক আদর পেতাম। সেই আদরের মায়াজাল থেকে বেরিয়ে পরিবারের অমতে আশপাশের কাউকে কিছু না জানিয়ে ২৫৭ টাকা নিয়ে ঢাকায় আসি।

সেই টাকা দিয়েছিল আমার দুই ঘনিষ্ঠ বন্ধু ইমতিয়াজ ও আসিফ। ঢাকায় এসে বিটিভির একটি অনুষ্ঠানে র‌্যাম্পে হাঁটার সুযোগ মেলে। তখন অনেক ফ্যাশনসচেতন ছেলেমেয়ের মধ্যে অসহায় লাগত। সবার মতো ফ্যাশনেবল না হওয়ায় মাঝে মাঝে হতাশায়ও ভুগেছিলাম। আমার সীমাবদ্ধতা জানি। স্ট্রাগল ছাড়া কেউ সাফল্য পেয়েছে বলে আমার মনে হয় না। এটা মনে করতাম বলেই একটুও কষ্ট পাইনি। জীবনে যা পেয়েছি, অনেক যুদ্ধ করে পেয়েছি।

About The Author

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *