Header ad

জয়েন্টের ব্যথার উৎস ছোটবেলা থেকেই

আরথ্রাইটিস হলো জয়েন্টের প্রদাহ। এ রোগ হলে জয়েন্ট ফুলে যায় ও ব্যথা হয়। প্রায় সময় বিশেষ করে বয়স্কদের হাত পায়ের গিটে গিটে এরকম ব্যথা হলে আমরা ভাবি ক্যালসিয়ামের অভাবে হয়েছে, নিজে নিজে ভিটামিন খাই কিংবা ব্যথার ওষুধ খেয়ে সেরে যাবে বলে বসে থাকি। আরথ্রাইটিস নিজে থেকে সেরে যাবার অসুখ নয়। এর যথাযথ চিকিৎসা করতে হবে তবেই ভালো থাকা সম্ভব।
ব্যায়ামের ঘাটতি, অনিয়মিত খাওয়া-দাওয়া, ক্যালসিয়ামের অভাবে ধীরে ধীরে এই সমস্যা বাড়তে থাকে। প্রথম দিকে আমরা সাধারণত হাঁটু বা হাতের জয়েন্টের ব্যথাকে তেমন গুরুত্ব দিতে চাই না। পরে যখন পরিস্থিতি খুব খারাপ হয়ে যায় তখন ওষুধ খেতে হয়।
আমাদের শরীরের জয়েন্ট বা অস্থিসন্ধিগুলো বেশ কয়েক দশক ধরে নিখুঁতভাবে কাজ করে। এরপর কোনও এক সময়ে এসে সে জায়গাগুলোতে ব্যথা সৃষ্টি করে। কিন্তু কেন?
শরীরে হাড়ের জয়েন্ট হাড়ের ভার বহন করে এবং নড়তে সাহায্য করে। কোনও আঘাত অথবা রোগের কারণে হাড়ের জয়েন্টের যদি ক্ষতি হয়, তাহলে হাড়ের জয়েন্টে ব্যথা হতে পারে এবং চলাফেরা করা কঠিন হয়ে যেতে পারে। বয়স যত বাড়ে, জয়েন্টে ব্যথা তত ঘনঘন হয়।
জয়েন্টের ব্যথা কেন হয় এ ব্যাপারে কথা হয়েছিলো ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অর্থোপেডিক বিভাগের ডা. ইশতিয়াক আলমের সঙ্গে। তিনি জানান, যে ধরণের আরথ্রাইটিসই হোক না কেন, প্রধান লক্ষণগুলো একই। জয়েন্টে ব্যথা হয়, ফুলে যায়। এছাড়া লালচে হয়ে যেতে পারে। একসময় হাত পা নাড়ানোই কষ্টকর হয়ে পড়ে। সঠিক চিকিৎসার জন্য আরথ্রাইটিসের প্রকার নির্ধারণ করা জরুরী। কিছু বিশেষ রক্ত পরীক্ষার সাহায্যে এটি নির্ণয় করা হয়।

About The Author

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *