Header ad

অজানা আতঙ্কে নিউইয়র্ক থেকে টনি ডায়েসের আবেগঘন স্ট্যাটাস

বিশ্বে করোনাভাইরাসে সবচেয়ে বেশি আক্রান্তের সংখ্যা এখন যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে প্রতিদিনই হাজার হাজার মানুষ এই ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছেন। মারা যাচ্ছেন শত শত। অথচ এই করোনা মোকাবিলায় বিশ্বের অন্যতম শক্তিধর দেশটি তেমন কিছুই করতে পারছে না। যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসী বাংলাদেশির সংখ্যাও কম নয়। শুধু নিউইয়র্কেই রয়েছে প্রায় সাড়ে ৪ লাখ। দেশটিতে প্রবাসী বাংলাদেশির মৃত্যুর সংখ্যাও অর্ধশত ছাড়িয়েছে। বাংলাদেশি কমিউনিটিগুলোতে চলছে শোকের মাতম আর মরণ আতঙ্ক।

দীর্ঘদিন ধরে নিউইয়র্কে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন বাংলাদেশের তারকা অভিনেতা টনি ডায়েস। করোনা ভাইরাসের এই মহাসংকটকালে পরিবার নিয়ে চরম উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠায় ঘরবন্দি দিন কাটছে তার। তাদের মনেও মৃত্যুর অজানা ভয় ভিড় করেছে। নিউইয়র্কের করোনা পরিস্থিতি তুলে ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন টনি ডায়েস।

সেখানে তিনি লিখেছেন- সাত দিন পর বাড়ির বাইরে গিয়েছিলাম নিত্য প্রয়োজনীয় কিছু জিনিস কেনার জন্য। অধিকাংশ স্টোর বন্ধ, শুধু আপনা বাজার খোলা ছিল। মানুষ কথা বলে না, হাসেও না। কোনো শব্দ নেই, প্রত্যেকে হতাশাগ্রস্ত। প্রত্যেকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখছে। আমরা কী সময় পার করছি!

বছর দুই আগে পরিবারের সঙ্গে ইস্টার সানটে উদযাপনে কিছু ছবিও গতকাল বৃহস্পতিবার দেয়া ওই স্ট্যাটাসের সঙ্গে জুড়ে দিয়েছেন তিনি। করোনার ছোবল থেকে মৃত্যুকে জয় করে আবারও ছবিগুলোর মতো আনন্দের জীবন ফিরে পাওয়ার আকুতা ঝরে পড়েছে তার কথা।

লিখেছেন- ‘দুই বছর আগে এই দিনে। আবার কবে এভাবে… জানি না! খোদা তুমি সহায়।’

সবশেষ দুই ঘণ্টা আগেও এক স্ট্যাটাসে টনি ডায়েস লিখেছেন- ‘আমরা সবাই বিষন্নতায় আছি..

আছি আলোর অপেক্ষায়..

আমার একটু চেষ্টা..

মনটাকে ভাল লাগানোর…

ঘরে বসে কাজটা করলাম…

সবার জন্য..আমার ভালবাসা..

অনেক ধন্যবাদ মারভিন অধিকারী

সুন্দর মিউজিকের জন্য..’

নিচে রফিক আজাদের ‘প্রতীক্ষা’ কবিতাটির আবৃত্তির সঙ্গে নিজের করা ভিডিও যুক্ত করে দিয়েছেন তিনি।

About The Author

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *