Header ad

‍“ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে” গানটির মর্মস্পশী ইতিহাস,!!

ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ’- এটি কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত কালজয়ী একটি গান। বাঙালি মুসলমানের ঈদ উৎসবে এ গানটি এক প্রকার অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। শিল্পী আব্বাস উদ্দিন আহমদ-এর অনুরোধে ১৯৩১ সালে কবি কাজী নজরুল ইসলাম এই গান রচনা করেছিলেন এবং নিজেই সুরারোপ করেছিলেন। লেখার চারদিন পর শিল্পী আব্বাস উদ্দিনের গলায় রেকর্ড করা হয় গানটি। রেকর্ড করার দুমাস পর ঈদের আগে রেকর্ডটি প্রকাশ করা হয়। তৎকালীন গ্রামাফোন কোম্পানি এর রেকর্ড প্রকাশ করেছিল। তখনকার দিনে চারদিকে শ্যামা সঙ্গীতের জয়জয়কার, শুনলে অবাক হবেন, মুসলিম নামে হিন্দু সঙ্গীত গাইলে গান চলবে না, তাই মুসলমান শিল্পীরা হিন্দু নামে শ্যামা সঙ্গীত করতো, যেমন, মুনশী মোহাম্মদ কাসেম হয়ে যান ‘কে. মল্লিক’, তালাত মাহমুদ হয়ে যান ‘তপন কুমার’। বাংলা ইসলমী গানের প্রচলনের প্রাথমিক ইতিহাস এবং যাদের ত্যাগ ও পরিশ্রমের ফলে কালজয়ী কিছু গনের সৃষ্টি হয় তাদের সম্পর্কে জানা আবশ্যক। “ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে” গানটি তৈরীর পিছনের কাহিনী আমাদের সময় ডটকমের পাঠকদের জন্য নিচে দেওয়া হলো :

শ্যামা সঙ্গীতের রেকর্ডিং শেষে কাজী নজরুল ইসলাম বাড়ি ফিরছেন। যাত্রাপথে তাঁর পথ আগলে ধরেন সুর সম্রাট আব্বাস উদ্দীন। একটা আবদার নিয়ে এসেছেন তিনি। আবদারটি না শোনা পর্যন্ত নজরুলকে তিনি এগুতে দিবেন না।

About The Author

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *